Natun Kagoj

ঢাকা, রবিবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং | ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ২৯শে সফর, ১৪৩৯ হিজরী

সময়ানুবর্তিতা পারে আমাদের টিভি চ্যানেলগুলোকে বাঁচাতে

আপডেট: ২৩ জুলা ২০১৭ | ১৩:২১
 সারোয়ার সরকার অপু : অনেক দিন ভেবেছিলাম কিছু কথা লিখবো ভারতীয় টিভি চ্যানেল নিয়ে। বাংলাদেশের গ্রামীণ জনগণ থেকে শুরু করে শহুরে মানুষও এই চ্যানেলগুলো দেখে থাকে। বাংলাদেশের জনগণ  ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলো  নিয়ে চিন্তিত। বাংলাদেশে অনেক টিভি চ্যানেলে থেকে শুরু করে সংবাদপত্রে -এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে শুনেছি কিন্তু কাউকে সমাধানের বিন্দু মাত্র চেষ্টা করতে দেখলাম না। বাংলাদেশে  এখন ৩১টি টিভি চ্যানেল  চালু  রয়েছে। অন্য দিকে  প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারতে রয়েছে এর কয়েক গুন বেশি।
কিন্তু আলোচনার বিষয়,  এতো টিভি চ্যানেল থাকা সত্তেও বাংলাদেশী দর্শক ভারতীয় চ্যানেল  হুমরি খেয়ে দেখে কেন? আমি মনে করি, এর একটাই উত্তর, সময়। আমাদের দেশের দর্শক অন্য দেশের পরকিয়া, সংসার ভাঙ্গার কাহিনী অথবা গুটিবাজী দেখার জন্য নয় বরং সময় পার করার জন্য দেখে থাকে। বাংলাদেশী টিভি চ্যানেল যদি ওদের আদলে নাটক বা কাহিনী ভিত্তিক কিছু তৈরী করে তাও মানুষ ওদের চ্যানেল দেখবে কারন তারা সময় মেনে চলে। তারা তাদের সকল অনুষ্ঠান নির্দিষ্ট সময়ে প্রচার করে থাকে। এই এক জায়গায় বাংলাদেশি সব টিভি চ্যানেল ওদের সাথে পেরে উঠছে না  বলে আমার ধারনা।
 আরেকটি বড় কারন, ভারতে প্রত্যেকটি বিষয়ের আলাদা চ্যানেল রয়েছে। আর আমাদের দেশে চ্যানেল    খুললেই মনে হয় সব সংবাদের চ্যানেল নয়তো বিজ্ঞাপনের ।
ভারতীয় সিনেমার চ্যানেলে খবর হয় না। আবার নাটকের চ্যানেলে সিনেমা বা খবর দেখানো হয় না। ফলে দর্শকেরা বিরুক্তি ফিল করে না।
কিন্তু আমাদের দেশে টিভি চ্যানেলগুলোতে ঘটে তার উল্টোটা। ঘন ঘন বিজ্ঞাপন আর খবরের যন্ত্রনায় দর্শকরা অতিষ্ট হয়ে উঠে।মনোযোগ দিয়ে অনুষ্ঠান দেখতে পারে না।
মিছামিছি আমাদের দর্শকদের  দোষ দিয়ে লাভ নেই। নানা কারনে অতিরিক্ত ‘বিরতি’র কারনে ভালো নাটক বা  প্রোগ্রামগুলো থেকে মানুষ চোখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। তাই দর্শকদের দোষ না দিয়ে টিভি চ্যানেলগুলোর এই সকল বিষয়ের উপর নজর বাড়ানো উচিত। তা হলে হয়ত আমরা ভারতীয়দের থেকে বেশী দর্শক পাবো।
লেখক : সারোয়ার সরকার অপু
               কর্পোরেট চাকুরিজীবী

নতুন কাগজ | এডমিন

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Loading Facebook Comments ...
 বিজ্ঞাপন