Natun Kagoj

ঢাকা, রবিবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং | ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ২৮শে সফর, ১৪৩৯ হিজরী

উদীয়মান ১০ বাজারের তালিকায় প্রথম বাংলাদেশ

আপডেট: ২১ সেপ্টে ২০১৬ | ১১:২৯

story-global-economy-2016-06-29-09-19-57-655_02

কাগজ ডেস্ক: লন্ডনভিত্তিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান বিএমআই রিসার্চ ভবিষ্যতের যে ১০টি উদীয়মান বাজার চিহ্নিত করেছে তার মধ্যে প্রথম বাংলাদেশ। সংস্থারটির মতে, আগামী ১০ বছরে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হবে এই ১০ উদীয়মান বাজার।

২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্ব অর্থনীতিতে এ দেশগুলোর ধারাবাহিক অবদান বেড়ে হবে ৪.৩ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জাপানের বর্তমান অর্থনীতির সমতুল্য।

সংস্থারটির প্রতিবেদনে বলা হয়, এ দেশগুলোর অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে ম্যানুফ্যাকচারিং ও নির্মাণ খাত। নতুন ম্যানুফ্যাকচারিং কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও পাকিস্তানে।

এ দেশগুলো, বিশেষ করে ম্যানুফ্যাকচারিং পণ্য রফতানিতে জোরালো প্রবৃদ্ধি দেখাবে। এসব দেশে নির্মাণ খাতও ব্যাপকতা লাভ করবে। মূলত নগরায়ণ এবং ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের সম্ভাবনা থেকেই নির্মাণ খাত অনেক বেশি বিস্তৃত হচ্ছে দেশগুলোতে। অন্যদিকে মাইনিং, তেল ও গ্যাসের মতো খাতগুলোর ভূমিকা প্রবৃদ্ধিতে আগের চেয়ে ক্ষুদ্র হবে।

বাংলাদেশ বাদে অন্য দেশগুলো হলো- মিসর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কেনিয়া, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও ফিলিপাইন।

বাংলাদেশ

প্রবৃদ্ধি অর্জনের পথে দেশগুলোর মধ্যে প্রথম বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে ৬.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। গার্মেন্ট এবং কৃষিভিত্তিক পণ্য রফতানি করে এ দেশ আগামী বছরগুলোতেও জোরালো প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে।

মিসর

দ্বিতীয় দেশ মিসর ২০১৫ সালে ৪.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। মিসরের প্রবৃদ্ধিতে মূল চালিকাশক্তি প্রাকৃতিক গ্যাস।

ইথিওপিয়া

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইথিওপিয়া। ২০১৫ সালে ১০.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশটি। কৃষিভিত্তিক শিল্পকে কেন্দ্র করে এগিয়ে যাচ্ছে এ দেশ।

ইন্দোনেশিয়া

চতুর্থ ইন্দোনেশিয়া ২০১৫ সালে ৪.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। কৃষিভিত্তিক শিল্পকে কেন্দ্র করে এগিয়ে যাচ্ছে দেশটি।

কেনিয়া

পঞ্চম স্থানে থাকা কেনিয়া ২০১৫ সালে ৫.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। চা, কফিসহ কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য রপ্তনি করে প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে কেনিয়া।

মিয়ানমার

প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এ দেশ ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। ২০১৫ সালে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। গণতন্ত্রে ফেরায় মিয়ানমারে বিদেশি বিনিয়োগ দ্রুত বাড়ছে।

নাইজেরিয়া

সপ্তম অবস্থানে থাকা নাইজেরিয়া ২০১৫ সালে ২.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। এ দেশটির অর্থনীতিতে বড় শক্তি জ্বালানি তেল। এ ছাড়া আরো বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে নাইজেরিয়া।

পাকিস্তান

১০ উদীয়মান বাজারের মধ্যে অষ্টম স্থানে রয়েছে এ দেশটি। ২০১৫ সালে ৪.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। এ দেশটির বড় সম্ভাবনা কৃষিভিত্তিক শিল্প ও তেল।

ফিলিপাইন

এশিয়ার আরেক সম্ভাবনাময় বাজার ফিলিপাইন রয়েছে নবম অবস্থানে। এ দেশটি ২০১৫ সালে ৫.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। ইলেকট্রনিক পণ্য, পরিবহন যন্ত্রাংশ ইত্যাদি রপ্তানি করে এগিয়ে যাচ্ছে ফিলিপাইন।

ভিয়েতনাম

১০ উদীয়মান বাজারের সর্বশেষ এ দেশটি ২০১৫ সালে ৬.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। কৃষিভিত্তিক পণ্য ও তেলকে ঘিরে এ দেশটি এগিয়ে যাচ্ছে।


নতুন কাগজ | এডমিন

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Loading Facebook Comments ...
 বিজ্ঞাপন