Natun Kagoj

ঢাকা, বুধবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮ | ৪ মাঘ, ১৪২৪ | ২৯ রবিউস-সানি, ১৪৩৯

আমি কি থাকবেো – টমটম

আপডেট: ১০ জানু ২০১৭ | ১৭:৪৪

15970077_10155675773777738_1661644813_n

ফারুক হোসেনঃ ঘোড়ার ব্যবহার সেই প্রাচীন কাল থেকে । ঘোড়াকে যুদ্ধ থেকে শুরু করে আজ অব্দী ব্যবহার করা হচ্ছে মালামাল পরিবহন তথা মানুষের যানবাহন হিসেবে।

ঘোড়ার শক্তিকে হিসেব করে বিভিন্ন ইন্জিন তৈরি হয় যাকে বলা হয় অশ্বশক্তি। সারাবিশ্বে অনেক প্রজাতির ঘোড়া দেখা যায়, তারমধ্যে সবচেয়ে নামী হলেো এরাবিয়ান ঘোড়া।

এই ঘোড়াকে নিয়ে চলচিত্র পর্যন্ত তৈরি হয়েছে। পৃথিবিীর সব দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর নিকট ঘোড়া দ্বারা তৈরি অশ্ববাহিনী নামে একটি বাহিনী থাকে।

এই ঘোড়া দিয়ে তৈরি গাড়িগুলোকে বলা হয় টমটম। টমটম ছাড়া রাজাদের বাহন চিন্তাই করা যেত না । কিন্তু আজ তারা কোথায়? অতি পরিবেশ বান্ধব এই পরিবহনটি আজ প্রায় নিঃশ্বেষ। অথচ এই টমটম যদি বিষাক্ত ধুলোর শহর ঢাকায় চলাচল করতো তা হলে ঢাকায় বসবাসরত মানুষদের ৫০% শ্বাস-প্রশ্বাস জনীত রোগ হতো না।হতো না বিশাল বিশাল ট্রাফিক জ্যাম। মানুষ বুক ভরে নিতে পারতো বিশুদ্ধ অক্সিজেন।

আজ ঢাকায় যে দু’চারখানা টমটম চলাচল করে তাদের ঘোড়াগুলেোকে দেখলে খুব কষ্ট হয়। কষ্ট হয় মানুষ দ্বারা তাদেরকে নির্যাতনের স্বীকার দেখে। তাই যারা সমাজকে নিয়ে ভাবেন তারা এই দিকটিতে একটু দৃষ্টি পাত করে নগরবিদদের মাধ্যমে আবার যেন টমটমের শব্দে মুখরিত হয় সে ব্যবস্থা করবেন ঢাকা। জ্যাম কমে যাক, মানুষ শ্বাস নিক মুক্ত অক্সিজেনে।

তা না হলে এই টমটম ও এক সময় খুঁজতে হবে যাদুঘরে কিংবা বই এর পাতা খুলে নতুন প্রজন্মকে জানাতে কিংবা চিনাতে হবে টমটম নামের আমাদের এই বিশাল ঐতিহ্যকে।

(চলবে………)


নতুন কাগজ | রুদ্র মাহমুদ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Loading Facebook Comments ...
 বিজ্ঞাপন